বৃহস্পতিবার, ২৬ মে, ২০১১

সুচিত্রা সেনের অলৌকিক সিনেমা

“ You can't handle the truth!”
-Col. Nathan R. Jessep [A Few Good Men]
 
গতরাতে ঘুম ভেঙ্গে গেলে আমি গল্পটা লিখতে বসি। ঘুম ভেঙ্গে গেলে আমার তীব্র পিপাসা বোধ হয়। বয়স বাড়ে, রাত বাড়ে, পানির তৃষ্ণা বাড়ে, ঘুম কমে আসে। আর তখনই আমার প্রতিরাতের মতোই গল্পটার কথা মনে পড়ে যায়। যে গল্পটা আমার নিজের নয়। অথচ চুরি করে হলেও আমাকেই এটা লিখে যেতে হবে। কারণ, তুমি লিখবে না। সুচিত্রা সেন অসুস্থ, সাথে স্বেচ্ছা নির্বাসন। গল্পটা হয়তো তাই অলিখিত থেকে যাবে- এই ভেবে আমার পিপাসা তীব্রতর হয়। গল্পটি লিখতে বসে আমি ভয়ে বিচলিত হই। হয়তো দেবদূতেরা আমায় পরিত্যাগ করবেন, হয়তো আমি গল্পকার হয়ে তোমার বিরাগভাজন হয়ে পড়বো। অথচ, কী আশ্চর্য- এই গল্পটা আসলে তোমার। সেই সাথে গল্পটা সুচিত্রা সেনের। আর অন্য সবকিছুর মতোই- এই গল্পটাও ঈশ্বরের। আমি তবু আশঙ্কা সরিয়ে রেখে গল্পকার হয়ে যাই তীব্র পানির তৃষ্ণা জয় করে, আমি তবু চেষ্টা করি এই অপ্রকাশিত গল্পটি লিখে যাবার। গভীর রাতে আমি গল্প লিখি। আর এখন সকাল, তোমার সাথে আমার দেখা হয়- সাথে প্রাতরাশ, ধূমায়িত চা।

চিত্রনাট্যের শুরুতে একই বাড়িতে থাকতাম আমরা। আমি, তুমি আর সুচিত্রা সেন। আমি দুইতালার বারান্দা থেকে দেখতাম একতলার তোমার কাছে ঈশ্বরের বার্তা আসে মেঘের র‍্যাপিং পেপারে মুড়িয়ে আর তিনতলার কারু মাস্টারের মেয়ে সুচিত্রা সেন ইশকুলে যায় পায় হেঁটে। একে তুমি, দুইয়ে আমি, তিনে সুচিত্রা সেন। পূর্বে পাকুড় গাছ, পশ্চিমে পায়ে হাঁটা রাস্তা, দক্ষিণে দীঘি একটা আর উত্তরে ফাঁকা মাঠ। তুমি আর আমি বাড়ির উত্তরের ফাঁকা মাঠটাতে বসি কখনো। কখনো সুচিত্রাকে দেখি ইশকুলে যায় বাবার সাইকেলে। আমি সুচিত্রাকে চিনি আর সেও আমাকে চেনে। পাবনা ছোট্ট শহর। কাজেই সুচিত্রা তোমাকেও চিনে নিঃসন্দেহ - যেমন তুমি সুচিত্রাকে চেনো। উত্তরের মাঠে তখন তো আর আজকের হলদে রঙয়ের বড় বাড়িটা ছিলো না, তাই সুচিত্রার ইশকুলে যাওয়া দেখতে দুইতালা থেকে আমার অসুবিধা হতো না। তোমার হতো না নিশ্চয়ই। আর তখন বাতাসের ছুট- অপ্রস্তুত কিশোরীর হালকা হলুদ শাড়ি- সামলাতে সংকটে সুচিত্রা সেন। ... আর এখন এই অভিকর্ষহীন সময়ে -যেখানে টিভিতে নর্তকী আর কথায় মুখর ইথারের বেতার- কে এমন মনে রেখেছে তোমায় আর সুচিত্রাকে, আমি ছাড়া, বলতে পারো??
সাইকেল আর পায়ের বদৌলতে ইশকুলে যাওয়া কারু মাস্টারের মেয়েকে এখন যেমন সকলেই সুচিত্রা সেন বলে চেনে, অস্থির চল্লিশের সেই উত্তপ্ত পাবনায় সকলেই কি তাকে চিনতো সে ভাবে- সে নামে- সে ভালোবাসায় ?? নাকি চিনতো পাবনা টাউন গার্লস স্কুলের কৃষ্ণাকে - করুণাময় দাশগুপ্তের মেয়েকে- অথবা রমাকে ?? তুমি রমাকে চিনতে, জানি। আর আমিও কৃষ্ণাকে চিনতাম। সেনবাবুদের বাড়ির পাঁচিল আর পায়ে হেঁটে রমার ইশকুলে যাবার সময়ের মাঝে আশ্চর্য সমাপতন হতো তখন প্রায়শই। বালিকাদলের মাঝে আমাদের কেউ নাকি খুঁজে ফেরে নূরজাহানকে, পাঁচিলে পা ঝোলানো ছেলের দল আর তুমি বলতে। সে বলায় ভুল ছিলো না। পাবনায় কেউ তো তখন সুচিত্রা সেন ছিলো না, আমিও তাই সুচিত্রা সেনকে চাইনি। কাজেই আমার চোখ ফিরে ফিরে যায় কোন এক চপল নূরজাহানকে দেখতে একপলক। জগতের সকল আলো তখন সেই মাঝদুপুরে ইশকুলের ঘণ্টা আর পাঁচিলে পা দোলানোর মুহুর্তখানার। সেই পাবনা-সেই গোপালপুর- সেই ফাঁকা মাঠের দক্ষিণ প্রান্তের বাড়ি-সেই ঘণ্টা; যোগসূত্র হয়ে আমি-তুমি আর সুচিত্রা সেন এখনো।

তোমার ঘরে জমতে থাকে তুলোভেজা মেঘের র‍্যাপিং পেপার- তুমি বলেই তো। কারণ তোমায় ঈশ্বর ভালোবাসেন। এর মাঝে রহস্য খুঁজে পাওয়া যায় না কিন্তু। কাজেই একদিন উত্তর পাওয়া যায় তলস্তয়ের ছোট গল্পের 'মানুষ কী নিয়ে বাঁচে' প্রশ্নের। পাবনা শহর জানে না, বৃষ্টিতে টালমাটাল গোপালপুরের কেউ জানেনি, বৃষ্টি জেনেছিলো। ইশকুল ঘরে অবরুদ্ধ তুমি জেনেছিলে, জেনেছিলো তোমার সাথে আটকে পড়া রমা দাশগুপ্ত। আহা, কী ছিলো সেই চম্বলদস্যুর মতো বৃষ্টির তেজ। পথেঘাটে কাগজের নৌকা, আমি বাঙ্গালীর ছেলে- কবিতা লেখার চেষ্টা করছিলাম তাই। সেই কবিতায় নিয়মানুসারে কাব্যলক্ষ্মী ধরা দেন না সেদিন- অথচ ইশকুল ঘর- পা বাড়ালেই পৌঁছে যাই, সেখানে তুমি-সেখানে সুচিত্রা সেন-সেখানে আফ্রোদিতি।... আমি কী কথা হয়েছিলো শুনিনি। আমি সেনবাবুদের বাগানের একটা গোলাপের বৃষ্টিভেজা হাতবদল দেখিনি। আমি কেবল বৃষ্টির শব্দ শুনেছিলাম। পরে জেনেছিলাম- সেই আধঘণ্টার বৃষ্টিকাল তোমার জীবনের সেরা সময়টা কেটে নিয়ে গেছে আয়ূর ব্ল্যাকবোর্ড হতে। আর আমায় দেখো, এখন আমার সাথে নূরজাহানের সকাল-সন্ধ্যা-রাত্রি যাপন; অথচ আমার জন্যে- কেবল আমার জন্যে বৃষ্টি নামেনি কখনো।

আমাদের শহরে কোন কফির দোকান ছিলো না, আইসক্রীম-পার্লার হীন পাবনা। আধঘণ্টা নিরিবিলিতে কাটিয়ে দেয়ার এটসেট্রা বুকস্টোর নেই- দূরালাপন তখনো দূর কল্পনা। এরপরেও, এ সময়ের অবিশ্বাস্য বিশ্বাসেও, তুমি ছিলে। তোমরা ছিলে। এক আর তিনের মাঝে অনিচ্ছুক কাঁটা হয়ে আমাদের দোতলা, এরপরেও তো ছাদ থাকে- চিলেকোঠা থাকে। আমি যদি প্রশ্ন করি, রাতের কবিতা আবৃত্তি কী কারণে ছিলো; উত্তর হয়ে আসে অনিদ্রা। কৃষ্ণা কেন আজকাল ফিরে ফিরে আসে বারান্দার মৃত রোদে- এর উত্তরে তোমার নিঃশব্দ হাসি। পাবনা শহরে জানেনি এবারো, সেই বর্ষার গোপালপুর জানেনি, কেবল আমি জেনেছিলাম- ঠিক জেনে নয়- বুঝে নিয়ে। বাড়ির পাঁচিলে ছেলেরা পা ঝোলায়, নূরজাহানেরা হেঁটে বাড়ি ফেরে আর অবসরে; সকলের অজান্তে গোলাপ ফোটে একতলা আর তেতলার বারান্দায়।

গণিতে দক্ষ ইংরেজ জাত, রেডক্লিফের স্লাইড ক্যালিপার্স ততোধিক সূক্ষ- নির্ভুল। আর তোমার সমীকরণে রমা দাশগুপ্ত নামের পূর্বে ঋণাত্বক চিহ্ন। এক-আধবার রমা যশোরে যায় ফিরে আসতে। কিংবা কৃষ্ণা যেতো শান্তি নিকেতন, সেও ফিরে আসবার জন্যে। অথচ এইবার, সে আর ফেরে না। ১৯৪৭- সমাপ্তি ঘটায় পাবনা অধ্যায়ের, সুচিত্রা সেনের জীবনে- অথচ তোমারও একটা জীবন ছিলো। এরপরেও তাই তোমার একটা জীবন থাকে। পাবনা শহরে অনেক লোকে নতুন করে বাঁচতে আসে, অনেক মানুষ আগুণপাখির মতো নিশ্চিত দহন জেনেও শেকড় উপড়ায়। তুমি জানলে না জন সিরিল রেডক্লিফ, এই গোপালপুরে দশ বছরের বালকদ্বয় মধুসূদন আর সেলিমের মাঝে কখনো আলাদা না হবার রক্তশপথ ছিলো; এই গোপালপুরে সাতসকালে ঘুমজাগা গিয়াসউদ্দীন পাশের বাড়ির নরেন্দ্রকে 'ভাই' থেকে 'উদ্বাস্তু' হয়ে যেতে জেনে শিশুর মতো কেঁদেছিলো। এরপরেও পাবনা শহর রেডক্লিফকে ভুলে গিয়ে বাঁচতে চেষ্টা করে, আমি তরুণ থেকে যুবক হয়ে উঠতে চাই নূরজাহানকে মনে রেখে আর তুমিও বেঁচে থাকো। গভীর রাতে বিছানায় এপাশওপাশ করে কান পেতে শুনতে চাও, ওপারের রমা দাশগুপ্তও জেগে আছে কি না ভালোবাসায়।

ইতিহাস ফিরে আসে শুনি, ফিরে আসে দিনশেষে ঘড়ির কাঁটা; ফেরে না দাঙ্গায় নিহত নক্ষত্র হয়ে যাওয়া মানুষেরা- ফেরেনি নরেন্দ্র হালদার। অথচ, ... কী আশ্চর্য !! মাষ্টারের মেয়ে রমা দাশগুপ্ত পাবনার গোপালপুরে ফিরে আসে সাত বছর পর, ১৯৫৪তে। টাউনহল অবাক হয় এ প্রত্যাবর্তনে, যুবকেরা সিটি দেয়- তরুণীরা স্বপ্ন দেখে- নবদম্পতিরা রোমাঞ্চিত। উত্তম কুমার !! অগ্নিপরীক্ষা !! ... কিন্তু সুচিত্রা সেন কে ?? আমাদের রমা নয় ?? তাই তো, আমাদের রমা অথবা কৃষ্ণাই তো !! গোপালপুরের রমা দাশগুপ্ত এখন সুচিত্রা সেন !!

এ শহরে আনন্দের উপলক্ষ কম বলে মানুষেরা বড় খুশি হয়। সেই তিনতলার কারু মাস্টারের মেয়ের নাম আজ সবার মুখে মুখে ফেরে। চায়ের দোকানে ম্যাগাজিনের কাটা কাগজের সুচিত্রা, বাড়ির রকে সুচিত্রা, উত্তরের মাঠে অলস আড্ডায় সুচিত্রা, গৃহিণীদের 'হারানো সুর', 'সপ্তপদী' আর 'সাগরিকা'র সুচিত্রা... গোটা শহর তার ভালোবাসায় উন্মত্ত। আমিও, সাথে আর সবাই। সকলেরই ভালোবাসা এক প্রকৃতির। অথচ তুমি, যেমনটা (হয়তো) ভালবাসতে তাকে- সে ভালোবাসা কি অক্ষুণ্ণ থাকে আর ?? কেউ তো কখনো জানে না, জানতো না- এ গল্প অলিখিত থেকে গেলে জানবেও না- তুমি সুচিত্রা সেনকে নয়, রমা দাশগুপ্তকেই ভালোবেসেছিলে। যুবকেরা এখন যেমন ভালোবাসে সুচিত্রা সেন, তেমনটা নয়- আরো নিষ্কাম করেই তুমি রমাকে চেয়েছিলে। সিনে ম্যাগাজিন থেকে কাটা ছবিতে সুচিত্রা সেনের হাতে অগণিত ফুলের তোড়া, এরচেয়ে প্রাচীনতর একটা গোলাপ ছিলো না তোমার ?? বইয়ের পাতায় তুমি গুঁজে রেখেছিলে যেটা ?? সে গোলাপ কুঁকড়ে গেছে। সময়ের সংকোচন। আর সময়ের উলটো প্রসারণে রমা দাশগুপ্ত এখন দিবানাথ সেনের স্ত্রী- সব বাঙ্গালির সুচিত্রা সেন। তোমার ভালোবাসা কীভাবে এখনো ছুঁয়ে থাকে তাকে ?? আদৌ থাকে কি ?? রমা কি নিজেই খুলে নিয়েছিলো সে বাঁধন, নাকি তুমি খুলে নেবে ?? তুমি ব্যর্থ, দুভাবেই।

সিনেমা জনিত উত্তেজনা প্রশমিত হয়ে ফেলে আমাদের তেতলা বাড়িতে আবার ফিসফিস শোনা যায়। এ বলে, সে বলে, সবাই ফিসফিসিয়ে বলে। গভীর রাতে নাকি দুইজন লোক আসে আজকাল তোমার ঘরে। তারা অন্ধ, ঘোরতর কৃষ্ণবর্ণের। আমি প্রশ্ন করলে তুমি স্বীকার করো না। ধীরে ধীরে এই আগন্তুকেদের কথা বাড়ি পেরিয়ে জেনে যায় শহরের লোকেরা। কারণে-অকারণে সর্বত্র তোমার ছায়াসঙ্গী হয়ে থাকে দুই অন্ধ। লোকের সাড়া পেলে তারা বাতাসে মিলিয়ে যায়, আবার নাকি গভীর রাতে দেখা যায় তাদের চিলেকোঠায়। এখন তো রাত গভীর হলে তোমার কবিতা অনুপস্থিত, সেইসব অতীত। অতঃপর লোকের কথা যাচাই করে নিতে আমি লুকিয়ে বসে থাকি ছাদের কার্ণিশে এবং আবিষ্কার করি পাবনার লোকে এখনো সত্য কথাই বলে। কী ভয়ানক কালোবর্ণের অন্ধদ্বয়, কী কুৎসিত !! আড়াল ছেড়ে আমি বেরিয়ে এলে তুমি হয়তো অপ্রস্তুত হও, এরপরেও সেটা চেপে রেখে বলো, "ওহ, তুমি !! আমি ভেবেছিলাম... আচ্ছা, বাদ দাও। এসো, পরিচিত হও। এরা আমার বন্ধু মানুষ। এর নাম স্বরে-অ। ওর নাম স্বরে-আ। ... কী চমৎকার দেখতে দুইজন, তাই না ?? কী লম্বা, কত্ত ধবধবে ফর্সা আর কেমন নিখুঁত !!"

শহরজুড়ে এই ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটে বারংবার। আমার সন্দেহ বাড়ে। তোমার অনুপস্থিতিতে আমি চিলেকোঠায় লুকিয়ে তোমার বাক্স ঘাঁটি। দেখি, লুকিয়ে রাখা চিঠির র‍্যাপিং পেপার- মেঘ দিয়ে যেগুলো তৈরী ছিলো- সমস্তই জল হয়ে গেছে। বাক্সে কেবল থই থই জল আর কেমন বিশ্রী গন্ধ। তোমায় একথা বলতেই তুমি অস্বীকার করো, রীতিমাফিক। তুমি বলো, আমি মিথ্যেবাদী, কাফের। তুমি বলো, আমি আর সুবিমল- যারা তোমার সাথে বাক্সটা বয়ে এনেছিলাম তেতলার চিলেকোঠায়- আমরা তোমার জমাট মেঘগুলো চুরি করে নিয়ে গিয়েছি। তোমায় পালটা উত্তর দেবার যুক্তি থাকে না আমার, তুমি যে অন্ধ বিশ্বাস নিয়ে তর্ক করো।

অতএব, দূরত্ব বাড়তে থাকে। আমরা তোমায় এড়িয়ে চলি। আমরা মধ্যবয়সী হই, আমার আর নূরজাহানের দাম্পত্যের বয়স বাড়তে থাকে। লোকমুখে শুনি, অন্ধেরা তোমার সঙ্গী হয়ে আছে এখনো। শুধু তোমার নয়,আরো অনেকের।

গতকাল গভীর রাতে গল্পটা লিখে ফেলার পরে তাই আজ সকালে যখন তোমার সাথে দেখা হয়ে গেলো আমার, আমি অবাক হলাম। দেখলাম, পড়লাম- তোমার এবং তোমার মতন আরো অনেকের কথা। যেহেতু গল্পটা ঈশ্বরের- আর ঈশ্বর সর্বত্রই থাকেন-সেহেতু তোমরাও পৃথিবীর সর্বত্র বিরাজমান। গুজরাটে বা নোয়াখালীতে।

প্রশ্ন একটাই। আরো অগণিত মানুষের মতন ভুল করে স্বেচ্ছায় অন্ধদ্বয়ের পেছনে ছোটা তুমি, স্বেচ্ছা নির্বাসিতদের পেছনে ফেলে পত্রিকার প্রথম পাতায় উঠে আসা তুমি, সুচিত্রা সেনের জীবনের সিনেমার বৃষ্টিভেজা প্রথম নায়ক তুমি-হায়দার হোসেন-গতকাল আত্মঘাতী বোমা হামলায় ভিনধর্মের উপাসনালয় উড়িয়ে দেবার মুহুর্তে তোমার কি একটিবারও সুচিত্রা সেনকে মনে পড়েছিলো ??

২টি মন্তব্য: