বৃহস্পতিবার, ২৭ মে, ২০১০

আফ্রিকাতে, বিশ্ব কাঁপে

হুমায়ূন আহমেদের কোন একটা লেখাতে ঘটনাটা পড়েছিলাম। খুঁটিনাটি মনে নেই, মনে আছে মূল অংশটা।
লেখক হুমায়ূন গিয়েছেন নেত্রকোণায়- কোন এক নাটকের শুটিং করতে। এক পর্যায়ে শুটিং বন্ধ করতে হলো। কেননা স্থানীয় লোকেরা বিরাট এক মিছিল বের করেছে। সেই মিছিল একটু পরপর গগণবিদারী হাঁক দিচ্ছে, " ম্যারাডোনাকে বিশ্বকাপ  ... ফিরিয়ে দাও, ফিরিয়ে দাও !!! "
কৌতূহলী হুমায়ূন মিছিলের একজনের কাছে জানতে চাইলেন, "ভাই, ম্যারাডোনা বিশ্বকাপ জিততে পারেন নাই- এটা একটা আন্তর্জাতিক ইস্যু। বাংলাদেশের মানুষ এইটা নিয়ে মিছিল করলে কী কোন লাভ হবে ??"
... উত্তর এলো- " আমরা নেত্রকোণার মানুষ। লাভ-ক্ষতি বিবেচনা করণ আমাগো কাম না। আমাগো কাম ম্যারাডোনার লাইগ্যা মিছিল করা !!! "

বুধবার, ১২ মে, ২০১০

জাকির তালুকদারের "মুসলমানমঙ্গল"

০১।

"মুসলমানমঙ্গল" বইটি পাঠের পর জাকির তালুকদার সম্পর্কে খোঁজ নিতেই হলো।  লোকমুখে শোনা ভদ্রলোক একজন  গল্পকার। ছোটগল্প লেখেন। গুগলে খোঁজ নিয়ে বিক্ষিপ্তভাবে তাঁর লেখা গল্পের কিছু পাঠপ্রতিক্রিয়ার সন্ধান পাওয়া গেলো। দারুণ লাগলো একটি অপঠিত ছোটগল্পের প্রেক্ষাপট, যেটির নাম 'বিশ্বাসের আগুণ'। কেউ একজন পবিত্র কোরান মাজিদ পুড়িয়ে ফেলছেন ঘৃণায় বা ক্রোধে নয়- স্থির বিশ্বাসে, যে বিশ্বাসে তিনি জানেন কোরান মাজিদ পোড়ে না, সেটি অবিনশ্বর।...



"মুসলমানমঙ্গল" উপন্যাস এক বন্ধুর কাছ থেকে ধার করে আনা। আকারে বড় হওয়ায় ইতস্ততঃ করছিলাম এতে মন দেয়া সহজ হবে কী না। হালকা চালেই তাই শুরু করেছিলাম। বইয়ের প্রকাশক রোদেলা প্রকাশনী ফ্ল্যাপে দাবি করছেন-  এই ধরণের উপন্যাস বাংলাভাষায় এটাই প্রথম। একই মত পোষণ করি আমিও।