শুক্রবার, ২৩ এপ্রিল, ২০১০

সন্ন্যাসী কাগু'গুপ্ত

সন্ন্যাসী কাগু-গুপ্ত, 
জনকণ্ঠের ভবন আড়ালে একদা ছিলেন ছিলেন সুপ্ত।
মনের শান্তি নিয়াছে পবনে,
কাগু বসিছেন ডিজিটালাসনে,
"এইবার তবে অভ্র-কে মুই করিবোই আশু লুপ্ত।"


পুত্রসমেত কাগুর সে ছবি- ভগবান, কর রক্ষে !!
কাগু-গুপ্ত ভ্যাঁচকে হাসিলো,
স্ক্রীনশট থমকে রহিলো,
আবালতা'র আলোক লাগিলো অর্থলিপ্সু চক্ষে। 


উন্মুক্ত অভ্র চলে- যৌবনমদে মত্তা,
ফোনেটিকেই নবজাগরণ,
স্ক্রীনশট সবুজ বরণ,
কাগু'র গায়ে পড়িতে চরণ, কাগু চ্যাঁচালেন -"কত্তা !!"


কহিলো কাগু বেহায়া কন্ঠে, চক্ষে ছিলো না লজ্জা- 
পঞ্চকোটির অর্থ-শোকে
কাগু স্বয়ং প্রলাপ বকে,
"অভ্র হলো পাইরেসী আর বিজয়ে'তে ফুলশয্যা !!!"


সময় তখনো হয় নাই শেষ, আসে নাই কলিকাল'টা,
আন্তর্জাল দামাল, তুখোড়,
প্রতিবাদে সবে হইলো মুখর,
"অভ্রের জোরে বাংলা চলে, তুমি ছিঁড়িয়াছ বাল'টা !!!"


সহসা এমন ঝড়ের দাপটে কাগু হারালেন ভাষ্য,
পড়িয়া এমন ভীষণ বাঁটে
কাগু ফেসবুকে বন্ধু কাটে,
তামাম বিশ্বে টেকি-বাঙালি হাসিলো অট্টহাস্য।


অভ্র জনকে অবশেষে কহে, "অয়ি, ভাষা বেনিয়া;
অভ্র কদাচ পাইরেসী নয়,
সকলের তরে ব্যবহার হয়,
ভাষা তব হোক সকলের- যেন না হয়, নিতে কিনিয়া।"

ঝরিছে মুকুল, কূজিছে কোকিল, যামিনী জোছনামত্তা,
আশা রাখি কাগু ভুল বুঝিবেন,
ঘাউড়া কাগু শির নোয়াবেন,
"আজি রজনীতে হয়েছে সময়, ক্ষম, হে বাসবদত্তা। "

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন