মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর, ২০০৯

একদা

একবার পৃথিবীতে আগুন আবিষ্কার হতে দেরী হয়ে গেলো। প্রাচীন প্রস্তর যুগ বা নব্য প্রস্তর যুগ নয়- আগুন আবিষ্কার করতে মানুষকে অপেক্ষা করতে হলো ব্রোঞ্জ যুগ পেরিয়ে একেবারে লৌহ যুগ অবধি। আর এই এক ধাক্কায় মানব সভ্যতা পিছিয়ে গেলো অনেকটুকু।


মানব সভ্যতা হয়তো আরো অনেক বেশি পিছিয়ে পড়তো; যদি না... যদি না আলবার্ট আইন্সটাইন নামে এক মহা প্রতিভাবান অপরাধ বিজ্ঞানীর জন্ম হতো। ভদ্রলোক একাই শায়েস্তা করে দিলেন এই বেয়াদ্দপ পৃথিবীটাকে।


শুধুমাত্র তাঁর ভয়েই গ্রেট বৃটেনের প্রধানমন্ত্রী ভয়ে ঘরে বসে থেকে দেশ চালানোর ভার তুলে দিলেন রাজার হাতে।

মহাত্মা গান্ধী তুলে ধরলেন 'লাহোর প্রস্তাব'; আর মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ শুরু করলেন 'ভারত ছাড়' আন্দোলন।

এইসব দারুণ গোলযোগ থেকে বাঁচতেই পুরো এশিয়া মহাদেশটা সরে গিয়ে আশ্রয় নিলো এন্টার্কটিকার মাত্র মাইল চারেক দক্ষিণে। বাজারে চাহিদা আর যোগান রইলো সমানে সমানে; দক্ষিণ এশিয়ার মানুষের মৌলিক সমস্যা হয়ে দাঁড়ালো তাদের জনসংখ্যার স্বল্পতা।


সত্যি বলছি, এসব কিছুই বাস্তবে ঘটেছিলো।


আর তাই, বয়সে আমার প্রায় দেড়গুণ বড় হয়েও যিনি গায়েগতরে আমার প্রায় দেড়গুন ছোট- সেই সুন্দরী মিস মিলি আমার নিষ্পলক দৃষ্টির সামনে কুঁকড়ে গিয়েও সামাজিক বিজ্ঞানের খাতাটা আমার মুখের উপরে কোনমতে ছুঁড়ে দিয়ে বললেন- " দামড়া কোথাকার !! টানা তিনবার কেউ সমাজ পরীক্ষায় ফেল্‌ করে ??? "

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন